Feature Label 3

0
কম্পিউটারঃMS Word 2007 এর ডকুমেন্ট সেভ হবে
অটোমেটিক, হঠাত কম্পিউটার বন্ধ হলেও ডাটা
হারাবার ভয় নাই কম্পিউটারঃMS Word 2007 এর ডকুমেন্ট সেভ হবে অটোমেটিক, হঠাত কম্পিউটার বন্ধ হলেও ডাটা হারাবার ভয় নাই

কাজের কথায় আসি।আমরা সবাই কম বেশি MS Word এর সাথে পরিচিত। MS Word বিভিন্ন ভার্সন বাজারে বের হয়েছে আজ আমি MS Word 2007 এর একটা গুরুত্ব পূর্ণ ব...

0
৩৬তম বিসিএস প্রিলিতে চান্স পাওয়ার কৌশল ৩৬তম বিসিএস প্রিলিতে চান্স পাওয়ার কৌশল

আর কদিন পরেই ৩৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এ পরীক্ষায় সাফল্যের কলাকৌশল জানাতে এবার পরামর্শ দিয়েছেন ৩৪তম ...

0
যেভাবে পড়লে একমাসেই বিসিএসে চান্স সম্ভব যেভাবে পড়লে একমাসেই বিসিএসে চান্স সম্ভব

এই লিখাটি মূলত বিসিএস প্রিলিমিনারি নিয়ে প্রিপারেশন খুব ভাল নয় কিংবা চাকরি বা অন্য পড়াশোনার পাশাপাশি বিসিএস দেবেন বলে ঠিক করেছেন তাদের জন্য …...

0
সকালে “ লেবু পানি ” পান করলে মানবদেহে ঘটবে ২০টি ম্যাজিক ! সকালে “ লেবু পানি ” পান করলে মানবদেহে ঘটবে ২০টি ম্যাজিক !

স্বাস্থ্য রক্ষায় বা ওজন কমাতেই অনেকেই সকাল সকাল পাকা লেবুর রসের সাথে হালকা গরম পানি মিশিয়ে পান করে থাকেন। সকাল সকাল লেবু পানি পান করা যে ভাল...

0
সুদকষা অংক ১৫ সেকেন্ডে সমাধানের টেকনিক সুদকষা অংক ১৫ সেকেন্ডে সমাধানের টেকনিক

বিসিএস এবং এমবিএ সহ নিয়োগ পরীক্ষায় অতি অল্প সময়ে জটিল অংক সমাধান করতে হয়। কিছু টেকনিক জানা থাকলে অংক করা সহজ হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভালো...

Friday, December 11, 2015

কম্পিউটারঃMS Word 2007 এর ডকুমেন্ট সেভ হবে অটোমেটিক, হঠাত কম্পিউটার বন্ধ হলেও ডাটা হারাবার ভয় নাই

কাজের কথায় আসি।আমরা সবাই কম
বেশি MS
Word এর সাথে পরিচিত। MS Word
বিভিন্ন
ভার্সন বাজারে বের হয়েছে আজ
আমি MS
Word 2007 এর একটা গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় নিয়ে
আলোচনা করছি তা হলো আমরা যখন MS
Word এ
বিভিন্ন বিষয় লেখা লেখি করি তখন
অনেক
সময় আমাদের লেখা টা সেভ করতে
ভুলে
যায় যার ফলে যাদের ল্যাপ্টপ বা
কম্পিউটারে ইউ পি এস নাই তারা
অনেক
বিপদের সম্মুখিন হেয়ে থাকি যেমন
ধরুন
আপনি MS Word এ কিছু লিখছেন আর
ভাবছেন
যে এই লেখাটা হয়ে গেলে লেখা
টা সেভ
করে রাখবেন কিন্তু হঠাত কারেন্ট
চলে গেল
অথবা কোন কারনে আপনার
কম্পিউটার
বন্ধ
হয়ে গেল যার ফলে আপনার লেখাটার
বারোটা তো বেজে গেলই সাথে
সাথে
আপনি এতক্ষন যা লিখেছিলেন তাও
হারিয়ে গেল।
তাই আজ আমি আপনাদের দেখাব
কিভাবে
এমন অনাকাংক্ষিত ঘটনার হাত থেকে
সহজেই রেহায় পাওয়া যাই ।আমরা এমন
ঘটনা
থেকে বাচতে পারি MS Word এর Auto
Save
নামক অপশনের সাহায্য নিয়ে। এই Auto
Save
অপশনটি আপনার কাজকে একটি
নির্দিষ্ট সময়
পর পর সেভ করে রাখবে।তাহলে চলুন
Auto Save
অপশনটি কিভাবে চালূ করবেন তা
দেখে নি

সাধারনত এই Auto Save অপশনটি সর্বদায়
অন তবে
সময় একটু বেশি দেয়া থাকে তাই
আপনার
কাজ হলসময় কম করে দেয়া। দেখুন
কিভাবে
সময় কম করে দিবেন
প্রথমে MS Word ফাইল খুলুন। তারপর
উপরের
বাম
কোনায় দেখুন Office Button নামক একটি
বাটন
আছে সেখানে ক্লিক করুন তারপর
নিচের
দিকে খেয়াল করুন Word Options নামক
আরেকটি বাতন আছে সেখানে ক্লিক
করুন
বুঝতে না পারলে নিচের ছবিটির
সাহায্য
নিন ।
এখন যে অপশনটি এসেছে সেখান
থেকে Save
বাটনে ক্লিক করুন তারপর বাম দিকে
দেখুন
Save AutoRecover information every 10 minutes
লেখা
আছে সেখান থেকে আপনি যত সময় পর
পর
আপনার ডাটা সেভ করতে চান তা
লিখে
দিন, তার নিচে দেখুন লেখা
আছে AutoRecover file Location সেখান
থেকে
Browse বাটনে ক্লিক করে আপনার
ফাইলটি
অটমেটিক কোথায় সেভ হবে তা
সিলেক্ট
করে দিন, বুঝতে সমস্যা হলে নিচের
ছবিটি
খেয়াল করুন ।
ব্যস আপনার কাজ শেষ এখন আপনি
নিশ্চিন্তে
আপনার কাজ করুন ।
আজ এই পর্যন্ত আবার দেখা হবে পরের
টিউনে

৩৬তম বিসিএস প্রিলিতে চান্স পাওয়ার কৌশল

আর কদিন পরেই ৩৬তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এ পরীক্ষায় সাফল্যের কলাকৌশল জানাতে এবার পরামর্শ দিয়েছেন ৩৪তম বিসিএস (শিক্ষা) প্রথম স্থান অধিকারী মেধাবী শিক্ষার্থী মৌসুমী ভট্টাচার্য।
শুধু বিসিএস নয় যে কোনো পরীক্ষার আগেই আপনাকে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। বিসিএস যেহেতু বাংলাদেশের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা তাই এর প্রস্তুতিও হওয়া চাই একটু আলাদা। আসলে কর্তৃপক্ষ বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে আপনার মানসিক, শারীরিক ও জ্ঞানগত দিক থেকে একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষকে নির্বাচন করতে চায়। মানসিক দিক দিয়ে যে কোনো ধরনের পরিস্থিতিতে নিজেকে মানানসই করতে পারা বিসিএস কর্মকর্তাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য এবং জ্ঞান জগতের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তার বিচরণ করার ক্ষমতা থাকতে হয়। এর অর্থ এই নয় যে, তাকে সব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হতে হবে। বরং সব ক্ষেত্রে আপনাকে প্রাথমিক ধারণা রাখতে হবে। যে কোনো একটি বিসিএস পরীক্ষার ক্ষেত্রে আনুপাতিক বিশ্লেষণে দেখা যায় যে কমপক্ষে ৬০-৭০ জনের মধ্যে মাত্র একজন পরীক্ষার্থী বিসিএস উর্ত্তীণ হয়ে কর্মে যোগদান করতে পারে।
কখন প্রস্তুতি নেবেন : এ ব্যাপারে বিভিন্ন জনে বিভিন্ন মত প্রকাশ করলেও আমার দৃষ্টিতে এইচএসসি পাস করার পরই মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেয়া দরকার। এতে অনার্স ও মাস্টার্স পড়ার পাশাপাশি বিসিএসের প্রস্তুতি এগুতে থাকে। যদিও আমি নিজে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম অনার্স চতুর্থ বর্ষ থেকে। কারণ আমার বেসিক খুব ভালো ছিল। আমি পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীতে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি পেয়েছিলাম। মনে রাখতে হবে, আপনার প্রতিটি ক্লাস, হলে অবস্থান, শিক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ, নিয়মিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ সবকিছুই বিসিএসে চান্স পাওয়ার ক্ষেত্রে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। এতে আপনার কাজের প্রতি গুরুত্ব বাড়বে। ফলে বিসিএসে উত্তীর্ণ হওয়া সহজ হবে।
দৈনন্দিন যে কাজগুলো করতে হবে : দৈনন্দিন আপনাকে রুটিন মাফিক ৮-১০ ঘণ্টা পড়াশোনা করতে হবে। আর বেশি পত্রপত্রিকা ও সব বিষয়ের মূল বই মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। পত্রপত্রিকা যতটুকু পড়বেন গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় এমন তথ্যগুলো আপনার ডায়রিতে লিখে রাখেন এবং বারবার আত্মস্থ করুন। অন্যের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন। সব সময় সঙ্গে একটি নোটখাতা ও কলম রাখলে ভালো হয়। মোট কথা আপনাকে সর্বদা সজাগ থাকতে হবে।
বিষয়ভিত্তিক পড়াশোনা : বিসিএসের ক্ষেত্রে সব বিষয়ের রয়েছে সমান গুরুত্ব। প্রথমে আসা যাক সাধারণজ্ঞান, এ বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে পত্র-পত্রিকার বিকল্প নেই। আপনাকে দৈনন্দিন যে কোনো একটি জাতীয় পত্রিকার চারটি পাতা মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে ও গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় এমন তথ্যগুলো সঙ্গে সঙ্গে নোট করতে হবে। চারটি পাতার মধ্যে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, শিল্প ও বাণিজ্য এবং বিজ্ঞানপাতা।
আর কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও বিশ্বের মানচিত্র তো থাকছেই। আর যত বেশি সম্ভব ইতিহাস পড়তে হবে। এরপর বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর বিজ্ঞানপাঠ্য বই ও বিজ্ঞানভিত্তিক বিভিন্ন ম্যাগাজিন বেশি উপযোগী। আর ইংরেজির ক্ষেত্রে আপনাকে বেশি বেশি ভোকাভোলারি আয়ত্ত করতে হবে। মোট কথা ভোকাভোলারির বিকল্প নেই। আর সঙ্গে সঙ্গে এসএসসি ও এইসএসসি সিলেবাসের ইংরেজি বইগুলো ভালো করে অধ্যয়ন করা উচিত।
বাংলার ক্ষেত্রে আপনাকে নাম করা কবি, সাহিত্যকদের জীবনী ও তাদের রচনাগুলোর ইতিবৃত্ত বারবার পড়তে হবে। বাংলার জন্য শুধু সিলেবাসের পড়াই যথেষ্ট। সর্বশেষ গণিত ও মানসিক দক্ষতার জন্য আপনাকে অনেক বেশি মনোযোগী হতে হবে। গণিতের জন্য আপনি অষ্টম থেকে দশম শ্রেণীর গণিত বইটি ভালো করে শিখতে হবে এবং বারবার করতে হবে। নতুন নতুন আইটেম শিখতে হবে। আর এতসব পড়ার ক্ষেত্রে নিয়মতান্ত্রিকতা বজায় রাখা উচিত। আর আপনি পরীক্ষার আগে নতুন কোনো বিষয় পড়ার চেষ্টা করবেন না। যেগুলো আগে পড়েছেন সেগুলো বারবার অধ্যয়ন করুন।
সার্বক্ষণিক উপকরণ : শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ কিছু বই ও উপকরণ পরীক্ষা প্রস্তুতির আগ থেকেই আপনার সঙ্গী হতে পারে বা আপনার সংগ্রহে থাকা উচিত। এগুলোর মধ্যে যেমন- বাংলাদেশের সংবিধান, ম্যাপের ওপর কিছু বই, নিজের সংগ্রহে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মানচিত্র, অষ্টম থেকে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পুরো একসেট বই, বাংলা একাডেমি ইংরেজি বাংলা অভিধান এবং যে কোনো একটি বাংলা টু বাংলা অভিধান। ভোকাভোলারিতে পর্যাপ্ত দক্ষতা রাখতে বেশি বেশি বিগত সালের প্রশ্নগুলো চর্চা করতে হবে। এছাড়া প্রতি মাসে প্রকাশিত যে কোনো একটি চাকরির তথ্য বিষয়ক ম্যাগাজিন আপনাকে রাখতে হবে। যেমন হতে পারে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স অথবা কারেন্ট নিউজ। এর সঙ্গে আপনি বহুল তথ্য সমৃদ্ধ একটি বিজ্ঞান বিষয়ক ম্যাগাজিন দ্বিমিক রাখতে পারেন। কিন্তু ইংরেজি ফ্লাস কার্ড রাখতে অবশ্যই ভুলবেন না।
একজন পরোক্ষ শিক্ষক : পরোক্ষ শিক্ষক বলতে টিউশনি অথবা কোচিং সেন্টারে পড়ানোকে বুঝানো হয়। বিসিএসে চান্স পাওয়ার জন্য একজন পরোক্ষ শিক্ষকের রয়েছে অপরিসীম ভূমিকা। আর এক্ষেত্রে আপনি অনার্স পড়াকালীন সময়ে অষ্টম অথবা নবম-দশম শ্রেণীর কোনো শিক্ষার্থীকে টিউশনি করাতে পারেন অথবা কোনো কোচিং সেন্টারে সময় দিতে পারেন। বিশেষ করে টিউশনিতে গণিত, ইংরেজি ও বাংলা পড়ালে আপনার জন্য বেশি ভালো হবে। আমি মনে করি, এই টিউশনি বিসিএসে আপনার কাক্সিক্ষত সফলতা বয়ে আনবে।
বিশেষ পরামর্শ : বিসিএস শিক্ষার্থীদের জন্য সব কিছুই গুরুত্বপূর্ণ। তার পরেও কিছু বিশেষ পরামর্শ থাকে। আর সেখান থেকেই বলতে চাই, বিসিএসের প্রিলিমিনারিতে চান্স পাওয়ার ক্ষেত্রে বেসিকের বিকল্প নাই। যার যত বেসিক ভালো সে তত ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারবে। এক্ষেত্রে আপনি ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর সব বিষয়ের পাঠ্য বই মনোযোগ সহকারে পড়তে পারলে খুবই ভালো হবে। এরপর বিভিন্ন সংস্থার জরিপ যেমন সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ও বিভিন্ন গবেষণাপত্র ইত্যাদি সাধারণ জ্ঞানের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার পরীক্ষার হল। আপনার হল যেখানেই হোক না কেন আপসেট হওয়া যাবে না। আর নম্বরপত্র ভরাট করার ক্ষেত্রে প্রথমে যেগুলো ভালো পারেন সেগুলো আগে দিবেন। ৬০ ভাগ সন্দেহ হয় এমন সব প্রশ্ন ভরাট করা যাবে না। কারণ নেগেটিব নম্বর আপনার প্রতাশিত ফলাফলের জন্য বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। সর্বশেষ আপনাকে নিয়মিত হতে হবে। মনে রাখবেন, ধৈর্য, চেষ্টা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায় এই চারটি গুণ আপনার কাঙ্ক্ষিত সফলতার চাবিকাঠি।

যেভাবে পড়লে একমাসেই বিসিএসে চান্স সম্ভব

এই লিখাটি মূলত বিসিএস প্রিলিমিনারি নিয়ে প্রিপারেশন খুব ভাল নয় কিংবা চাকরি বা অন্য পড়াশোনার পাশাপাশি বিসিএস দেবেন বলে ঠিক করেছেন তাদের জন্য …
হাতে যদি ৩০-৪৫ দিন সময় থাকে তবে আত্মবিশ্বাসী হোন, প্রিলিতে উতরে যাওয়ার জন্য এটা পর্যাপ্ত সময়। আমি ৩৩, ৩৪, ৩৫ তম প্রিলি তিনটিতেই অংশ নিয়েছিলাম এবং উত্তীর্ণ হই সবগুলোতেই আল্লাহর রহমতে। আমার অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি :
এই সময় টাতে আপনি যে রিডিং ম্যাটেরিয়ালস গুলো কালেক্ট করবেনঃ
১) বিগত বছরের প্রশ্ন সম্ভার ( নীলক্ষেতে গেলেই পাবেন, সেগুলো সল্ভ সহ পাবেন, ৩০-৫০ টাকা নিবে দাম)
২) এসিউরেন্স/ ওরাকল/MP3 এদের যেকোন টার শর্ট একটা ডাইজেস্ট ৮০-১২০ টাকা নেবে, ১৫০-২০০ পৃষ্ঠার ছোট একটা বই, এখানে মূলত সাম্প্রতিক বছর গুলোতে পিএসসি র পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়নের উপর ভিত্তি করে সবগুলো বিষয় নিয়েই প্রশ্নোত্তর থাকে … বড় ডাইজেস্ট গুলো র মতন কিংবা সাবজেক্ট ওয়াইজ আলাদা বই গুলোর মতন অত ডিটেইল না। যারা অলরেডি সাবজেক্ট ওয়াইজ আলাদা বই কিনে পড়েছেন তাদের এটা না কিনলেও চলবে …
৩) প্রফেসর্স প্রকাশনী প্রিলির আগ দিয়ে একটা বই বের করে, স্পেশালি বিসিএস ক্যান্ডিডেট দের জন্য, এইটা খুব খুব খুব উপকারি …আমি ৩৫ তম প্রিলিতে কেবল মাত্র এটা পড়ে প্রিলি র প্রিপারেশন নিয়েছিলাম। কারণ একই সময়ে ৩৪ তম র ভাইভা চলছিল, ভাইভার প্রিপারেশন নিতে গিয়ে আলাদা করে ৩৫ এর প্রিলির জন্য পড়তে পারি নি । তবে কেউ এটা পড়েই প্রিলিতে টিকে যাবেন সেই আশা করবেন না । আমার ক্ষেত্রে ভাগ্য এবং আগের দুই প্রিলির হালকা পাতলা প্রিপারেশন এর কারণে আমি কেবল এটার ভরসা করে গিয়েও উতরে যেতে পেরেছিলাম ।
দাম নেবে ৫০ টাকা, তবে এটার চাহিদা প্রচুর থাকে বিধায়, ক্রাইসিস ক্রিয়েট হলে অনেক বেশি দামেও কেনা লাগতে পারে…
৪) যে মাসে পরীক্ষা হবে সে মাসসহ তার আগের ৩-৪ মাসের কারেন্ট এফেয়ার্স/ কারেন্ট ওয়ার্ল্ড …
৫) আমি ৩৫তম দিতে গিয়ে সবচেয়ে খারাপ করেছি ইংরেজি লিটারেচারে। এর থেকে আমার মনে হয়েছে এর জন্য আলাদা করে একটু প্রিপারেশন নেয়াটা উচিত। নীলক্ষেতে বিসিএস/ ব্যাংক কিংবা আরও এই জাতীয় পরীক্ষাগুলোর জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়/ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যারদের ইংরেজি সাহিত্যের উপর সামারি টাইপ ছোট ছোট বুকলেট টাইপ বই পাওয়া যায়, ৩০-৫০ টাকা নেবে। এগুলোতে ইংরেজি সাহিত্যের বিভিন্ন কাল, কে কোন কালের সাহিত্যিক, কার লিখা কী ধর্মী, বিখ্যাত বই কে কি লিখে গেছেন এসব পাওয়া যাবে… আর ইংরেজি শব্দার্থ, বিপরীতার্থ এসব নিয়ে যাদের দুর্বলতা তারা সাইফুর্স/মেন্টর্স কিংবা বিসিএস+ব্যাংক প্রিপারেশনের জন্যেই কমন কিছু শব্দের বই পাওয়া যায়, সংগ্রহে রাখতে পারেন। ঘাবড়াবেন না বিসিএসে আপনাকে GRE স্ট্যান্ডার্ড Vocabulary দিতে যাবে না ।
কীভাবে পড়া উচিত?
আমি শুরুতেই বলেছি লিখাটা হচ্ছে যাদের হাতে সময় কম, প্রিপারেশন এতোদিন খুব ভাল নিতে পারেন নি তাদের জন্য ।
আমি শুরুতেই পরামর্শ দিব, আগে বিগত বছরের প্রশ্ন গুলো দেখুন, সেগুলো না পারলে/ না জানা থাকলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই । আমি সাজেস্ট করব, প্রথমে যে বই টির কথা বলেছি, সেটার বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ, গণিত, দুই ভাষার সাহিত্য এগুলো অবশ্যই পড়ে শিখে ফেলুন। যেগুলো কঠিন মনে হচ্ছে সেগুলো আপাতত অন্য কোন কালির কলম বা মার্কার দিয়ে মার্ক করে রাখুন। আন্তর্জাতিক কিংবা বাংলাদেশের জেলা/ থানা র সংখ্যা টাইপ খুব পুরাতন প্রশ্ন এড়িয়ে যেতে পারেন, মানে যেগুলো আপনি জানেন ২৮ তম বিসিএস এর সময় যেই সংখ্যা ছিল, এখন পরিবর্তন হয়েছে সেগুলো আর কি।
আপনি যদি মিনিমাম ১০-১২ টি বিগত বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন সল্ভ করে ফেলেন, তাহলে দেখবেন আপনার মধ্যে প্রিলির বিষয়ে খুব ভাল ধারণা চলে এসছে যে কী ধরণের প্রশ্ন হতে পারে। এখন আপনার একটু ডিটেইল পড়ার সময় । যদি না আপনি বাংলা সাহিত্য/ ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র ছাত্রী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য বাংলা-ইংরেজি সাহিত্য জিনিসটা একটু কঠিন হবেই । অনেকের কাছে এগুলোর চেয়ে আন্তর্জাতিক বা বাংলাদেশ বিষয়াবলি কঠিন লাগে । আপনি যেহেতু বিগত বছরের প্রশ্নগুলো দেখেছেনই, আপনি নিজেকে বিচার করুন, কোনটিতে আপনার দুর্বলতা বেশি, সেটির উপরে জোর দিন।
আমার একটা কমন অবজারভেশনঃ যারা ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসা তারা সাধারণত সাহিত্যিক/কাল/বইপত্র এসবের নামে দুর্বল হয় । মেডিকেলে ৫ বছর পরে মানুষজন গণিত এর সাধারণ নিয়ম গুলো ভুলে যান, সাথে বাংলা ব্যকরণ তো আছেই ।আর্টস কিংবা কমার্স ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে যারা প্রথম বারের জন্য এটেম্পট নিচ্ছেন অনেকের গণিত আর ইংরেজিভীতি থাকে। তবে সবার কমন এক জায়গাতে প্রবলেম হয় কম বেশি তা হল বাংলাদেশ বিষয়াবলি আর আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি/ সাম্প্রতিক ঘটনাবলি । এর জন্য খুব ভালভাবে কারেন্ট এফেয়ার্সের সবগুলো সংখ্যা (যা উল্লেখ করলাম) আর কারেন্ট এফেয়ার্সের বিশেষ সংখ্যাটা পড়ুন ।
কারেন্ট এফেয়ার্সের বিগত মাসের সংখ্যাগুলো কেন সংগ্রহ করতে বলেছি তার কারণ হল সেখানে পিএসসি/ ব্যাংক সমূহ কিংবা অন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের যে পরীক্ষাগুলো হয় সেগুলোর প্রশ্নও দেয়া থাকে । অনেক বছর এমন দেখা যায় যে সেসব প্রশ্ন থেকেও কিছু প্রশ্ন চলে আসে।
পরীক্ষার মাস খানেক সময় কাল থেকে খবরের কাগজটা পড়ুন, এখন তো এণ্ড্রয়েড এপসের মাধ্যমে বাসায় পত্রিকা না রেখেও পড়া যায়, বিশেষ দরকারি তথ্যগুলো মোবাইলেই পারলে নোট করে রাখুন । সেটাও কষ্ট লাগলে স্ক্রিন শট দিয়ে রাখুন ( যারা স্মার্ট ফোন ব্যবহার করছেন)।
স্মার্টফোন ব্যবহার না করলেও সমস্যা নেই, দেখা যায় যারা পত্রিকার পাতা ঘেটে পড়েন কিংবা কোন জরুরি তথ্য দাগিয়ে রাখেন, কেটে সংগ্রহ করেন কিংবা ডায়েরি/খাতায় লিখে রাখেন তাদের সে জিনিস আরও বেশি মনে থাকে।
একটানা কোন বিষয় পড়তে যাবেন না, বোরিং ফিল করবেন। যেমন আপনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস কম পারেন, এইটা নিয়ে এখন দিনের পর দিন পরে থাকলে দেখবেন পড়া এগুচ্ছে না। তো কি করা যাবে? এটার ফাঁকে ফাঁকে সহজ লাগে কিংবা মজা লাগে এমন কিছু একটা পড়বেন। মনে থাকে না কিংবা বার বার পড়েও ভুলে যাচ্ছেন এমন হলে সেটা একটা কাগজে লিখে রাখুন। বাসায় পত্রিকা পড়লে যেখান থেকে কোন একটা গুরুত্বপূর্ণ ইনফো পেলেন সেটা আরেকটা জায়গায় লিখুন, দরকারে দেখে দেখেই লিখুন, সমস্যা নেই।
গণিত ভীতি যাদের তাদের জন্য রেগুলার এক আধটু প্র্যাক্টিস করাটা জরুরি, অংক হাতে না করে শুধু দেখে গেলে অনেকেই ভুল করেন কিংবা পরীক্ষার হলে কনফিউজড থাকেন ।
ইঞ্জিনিয়ারিং/ম্যাথ/ফিজিক্স/স্ট্যাটিস্টিক্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর যারা কিংবা যারা MBA করছেন তাদের জন্য এই সাব্জেক্ট খুব চ্যালেঞ্জিং না। ২ নম্বরে যে বইটার কথা বললাম ওখানের ম্যাথ সেকশনে এবং প্রফেসর্সের স্পেশাল বইতার ম্যাথ সেকশনেও দেখবেন পাটি গণিত আর জ্যামিতি/ত্রিকোণমিতি নিয়ে শর্টকাটে সূত্র কিংবা টেকনিক দেয়া আছে। সেগুলো এপ্লাই করে কিছু অংক করুন। কেবল সূত্র মুখস্ত রেখে হলে গেলে তালগোল পাকিয়ে ফেলার সম্ভাবনাই বেশি থাকবে ।
মানসিক দক্ষতা নিয়ে বাজারে বেশ কিছু বই এখন পাওয়া যায় তবে আমার কাছে এজন্য আহামরি কিছুই দরকার বলে মনে হয় নি, আগের বছরের প্রশ্ন গুলো সমাধান করলে আর এ বইগুলোর কথা বললাম ওগুলোর সংশ্লিষ্ট সেকশনে প্র্যাক্টিস করলে আপনি পারবেন সাধারণ বিজ্ঞানে অনেকে মনে করেন অনেক সোজা, পরে পচা শামুকের পা কাটে অনেকের… এজন্য শর্ট ডাইজেস্ট টা আর প্রফেসর্সের বই টা পড়ুন ভাল মত । আর কারেন্ট এফেয়ার্স ও … বিভিন্ন প্রযুক্তির শর্ত কাট নাম জানেন কিন্তু ফুল মিনিং জানেন না, সেগুলোও জেনে নিন, বানান সহ কিন্তু ।
সবশেষে আবারও বলব, ৩০-৪০ দিন প্রস্তুতির জন্য অনেক সময়। শুধুমাত্র আপনি মুখস্ত করে প্রিলি পাস করে আসবেন এটা সবার জন্য হয় না। বুদ্ধি খাটান, মনে রাখবেন বিসিএস প্রিলি তে আপনি ভুল দাগালে কিন্তু অর্ধেক মার্ক্স কাঁটা, সুতরাং ক্যালকুলেটেড রিস্ক নিতে হবে। আর আরেকটা কথা সবাইই জানেন, এই মার্ক্স আপনার মূল মার্ক্সের সাথে যোগ হবে না, সুতরাং এখানে উতরে যাবার জন্য আপনাকে দুনিয়ার সব কিছুই পারতে/ জানতে হবে না। অনেক এমসিকিউ প্রশ্ন আপনি না জেনেও প্রসেস অফ ইলিমিনেশন (কোন টি উত্তর হবে না সেটা বাছাই করে করেও) কিছু মার্কস পেতে পারেন ।
সবার জন্য শুভ কামনা রইল।

সকালে “ লেবু পানি ” পান করলে মানবদেহে ঘটবে ২০টি ম্যাজিক !

স্বাস্থ্য রক্ষায় বা ওজন কমাতেই অনেকেই সকাল সকাল পাকা লেবুর রসের সাথে হালকা গরম পানি মিশিয়ে পান করে থাকেন। সকাল সকাল লেবু পানি পান করা যে ভালো, এটা অনেকেই জানেন। কিন্তু জানেন কি, আসলে কেন ভালো? যদি নিয়মিত রোজ সকালে এক কাপ লেবু পানি পান করেন, আপনাদের দেহ পাবে ২০টি জাদুকরী উপকারিতা।
১) লেমন, অর্থাৎ পাকা লেবুতে থাকে ইলেকট্রোলাইটস- যেমনঃ পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ইত্যাদি। সকাল সকাল লেবু পানি আপনাকে হাইড্রেট করে, শরীরে যোগান দেয় এইসব প্রয়োজনীয় উপাদানের।
২) হাড় জয়েনট ও মাসল পেইন কমায় দ্রুত।
৩) লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড। সকাল সকাল উষ্ণ পানির সাথে পান করলে সেটা আপনার হজমতন্ত্রকে উন্নত করে সমস্যা রাখে দূরে।
৪) অন্য যে কোন খাবারের চাইতে লেবু পানির ব্যবহারে লিভার অনেক বেশী দেহের জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম তৈরি করতে পারে।
৫) লেবু পানি টক্সিক উপাদান দূর করে লিভারকে পরিষ্কার রাখে।
৬) পেট পরিষ্কার ও ভালো টয়লেট হতে সহায়তা করে।
৭) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
লেবু পানি
৮) আপনার নার্ভাস সিস্টেমে দারুণ কাজ করে। সকাল সকাল লেবুর পটাশিয়াম আপনার বিষণ্ণতা ও উৎকণ্ঠা দূর করতে সহায়ক।
৯) লেবু পানি শরীরের রক্তবাহী ধমনী ও শিরাগুলোকে পরিষ্কার রাখে।
১০) উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে।
১১) শরীরের পি এইচ লেভেল উন্নত করে। পি এইচ লেভেল যত উন্নত, শরীর রোগের সাথে লড়াই করতে তত সক্ষম।
১২) ইউরিক এসিড সমস্যা দূর করতে সহায়ক।
১৩) আপনার ত্বককে কর তোলে সুন্দর ও পরিষ্কার।
১৪) বুক জ্বলা পড়া দূর করে। যাদের এই সমস্যা আছে রোজ আধা কাপ পানির মাঝে ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।
১৫) কিডনী ও প্যানক্রিয়াসের পাথর দূর করতে অসাধারণ কার্যকর।
১৬) ওজন দ্রুত কমাতে সহায়তা করে। লেবুতে থাকে পেকটিন ফাইবার যা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে।
১৭) গর্ভবতী নারীদের জন্য খুবই ভালো লেবু পানি। এটা শুধু নারীর শরীরই ভালো রাখে না বরং গর্ভের শিশুর অনেক বেশী উপকার করে। লেবুর ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম শিশুর হাড়, মস্তিষ্ক ও দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করে। মাকেও গর্ভকালে রোগ বালাই থেকে দূরে থাকে।
১৮) দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। দাঁত ব্যথা কমায়।
১৯) ক্যান্সারের সাথে লড়াই করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
২০) মেটাবলিজম বা হজমশক্তি বাড়ায়। এতে ওজন কমাতেও প্রভাব পড়ে।


Thursday, December 10, 2015

সুদকষা অংক ১৫ সেকেন্ডে সমাধানের টেকনিক

বিসিএস এবং এমবিএ সহ নিয়োগ পরীক্ষায় অতি অল্প সময়ে জটিল অংক সমাধান করতে হয়। কিছু টেকনিক জানা থাকলে অংক করা সহজ হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভালো পরীক্ষা দেয়া সম্ভব। আজ আপনাদের দেখাবো অল্প সময়ে সর্বোচ্চ ১৫ সেকেন্ডে কিভাবে কাজ ও শ্রমিক সংক্রান্ত অংকের সমাধান করা যায়।
সূত্রঃ ১ যখন মুলধন, সময় এবং সুদের হার সংক্রান্ত মান দেওয়া থাকবে তখন-
সুদ / মুনাফা = (মুলধন x সময় x সুদেরহার) / ১০০
প্রশ্নঃ ৯.৫% হারে সরল সুদে ৬০০ টাকার ২ বছরের সুদ কত?
সমাধানঃ সুদ / মুনাফা = (৬০০ x ২ x ৯.৫) / ১০০ = ১১৪ টাকা
সূত্রঃ ২ যখন সুদ, মুলধন এবং সুদের হার দেওয়া থাকে তখন –
সময় = (সুদ x ১০০) / (মুলধন x সুদের হার)
প্রশ্নঃ ৫% হারে কত সময়ে ৫০০ টাকার মুনাফা ১০০ টাকা হবে?
সমাধানঃ সময় = (১০০ x ১০০) / (৫০০ x ৫) = ৪ বছর
সূত্রঃ ৩ যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সুদের হার উল্লেখ থাকে তখন –
সময় = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সুদের হার x ১০০
প্রশ্নঃ বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা হার সুদে কোন মূলধন কত বছর পরে সুদে আসলে দ্বিগুণ হবে?
সমাধানঃ সময় = (২– ১) /১০ x ১০০ = ১০ বছর
সূত্রঃ ৪ যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সময় উল্লেখ থাকে তখন
সুদের হার = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সময় x ১০০
প্রশ্নঃ সরল সুদের হার শতকরা কত টাকা হলে, যে কোন মূলধন ৮ বছরে সুদে আসলে তিনগুণ হবে?
সমাধানঃ সুদের হার = (৩ – ১) / ৮ x ১০০ = ২৫%
সূত্রঃ ৫ যখন সুদ সময় ও মূলধন দেওয়া থাকে তখন
সুদের হার = (সুদ x ১০০) / (আসল বা মূলধন x সময়)
প্রশ্নঃ শতকরা বার্ষিক কত টাকা হার সুদে ৫ বছরের ৪০০ টাকার সুদ ১৪০ টাকা হবে?
সমাধানঃ সুদের হার = (১৪০ x ১০০) / (৪০০ x ৫) = ৭ টাকা
সূত্রঃ ৬ যখন দুটি আসল এবং দুটি সময়ের সুদ দেওয়া থাকে তখন –
সুদের হার = (মোট সুদ x ১০০)/ {(১ম মূলধন x ১ম সময়) + (২য় মূলধন x ২য় সময়) }
প্রশ্নঃ সরল হার সুদে ২০০ টাকার ৫ বছরের সুদ ও ৫০০ টাকার ৬ বছরের সুদ মোট ৩২০ টাকা হলে সুদের হার কত?
সমাধানঃ সুদের হার = (৩২০x ১০০)/ {(২০০ x ৫) + (৫০০ x৬) } = ৮ টাকা
সূত্রঃ ৭ যখন সুদের হার, সময় এবং সুদে- মূলে উল্লেখ থাকে-
মূলধন/আসল = (১০০ xসুদআসল) / {১০০ + (সময় x সুদের হার)}
প্রশ্নঃ বার্ষিক ৮% সরল সুদে কত টাকা ৬ বছরের সুদে-আসলে ১০৩৬ টাকা হবে?
সমাধানঃ মূলধন/আসল = (১০০ x১০৩৬) / {১০০ + (৬ x ৪৮)} = ৭০০ টাকা
সূত্রঃ ৮ যখন সুদ, সময় এবং সুদের হার উল্লেখ থাকবে
মূলধন = (সুদ x ১০০)/ (সময় x সুদের হার)
প্রশ্নঃ শতকরা বার্ষিক ৪ টাকা হার সুদে কত টাকার ৬ বছরের সুদ ৮৪ টাকা হবে?
সমাধানঃ মূলধন = (৮৪ x ১০০)/ (৬x ৪) = ৩৫০ টাকা
সূত্রঃ ৯ যখন দুটি সুদের হার থাকে এবং সুদের হার ও আয় কমে যায় তখন,
আসল = হ্রাসকৃত আয় x ১০০ / {(১ম সুদেরহার – ২য় সুদের হার) xসময়}
প্রশ্নঃ সুদের হার ৬% থেকে কমে ৪% হওয়ায় এক ব্যাক্তির বাতসরিক আয় ২০ টাকা কমে গেল। তার আসলের পরিমাণ কত?
সমাধানঃ আসল = ২০ x ১০০ / {(৬ – ৪) x১ = ১০০০ টাকা
আজ এ পর্যন্তই। আবার কথা হবে নতুন কোন টেকনিক নিয়ে।